ঢাকা বৃহস্পতিবার ৩রা এপ্রিল, ২০২৫
শাহাদাত কামাল শাকিল: সড়কের পাশে মুরগি, গরুর বিষ্ঠা প্রক্রিয়াজাত এবং সংরক্ষণ করছেন কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী। এসব বিষ্ঠার তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মানুষজন। জানবহুল গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশে মুরগির বিষ্ঠা স্তূপ করে পরিবেশ নষ্ট করছেন। সেসব স্থানে দুর্গন্ধযুক্ত মুরগি, গরুর বিষ্ঠা দিনের পর দিন পড়ে থাকছে। মুরগির বিষ্ঠার উদ্ভট গন্ধে নাকে-মুখে কাপর চেপে থাকতে হচ্ছে, এলাকার অনেকে এই দুর্গন্ধের কারনে অসুস্থ হয়ে পরছেন, তাই তারা প্রশাসনের আঁর বউ লালমাই ভূমি অফিসে চাকরি করে, কারও হেডম নাই আঁর এডি সরাইতে – অভিযুক্ত বাবুল সহযোগীতা আশা করেছে।সোমবার (২৪ মার্চ) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের রতনপুর বাজার মহাসড়ক ঘেঁষা পিপুলিয়া প্রবেশ পথে সড়কের পাশে দেখা যায়, বিষ্ঠার ভর্তি বস্তাগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে।অভিযোগ আছে, সকল নীতিমালা উপেক্ষা করে এলাকার প্রভাবশালী বাবুল নামে এক ব্যক্তি বসতিপূর্ন এলাকায় বিষ্ঠার ওই ফার্মটি গড়েছেন। এলাকাবাসী চায়, দ্রুত দুর্গন্ধযুক্ত এ বিষ্ঠার খামারটি অপসারন করে অন্যত্র নেয়ার জোড় দাবী জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে ইকবাল নামে এক প্রভাবশালী লোক মুরগি, গরুর বিষ্ঠার খামার স্থাপন করেন। বর্তমানে এ খামারে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি বস্তা বিষ্ঠা ভর্তি রয়েছে। এসব বিষ্ঠার কারণে এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বিষ্ঠার দুর্গন্ধে খামারের চারদিকে মানুষের বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে। অথচ নীতিমালা অনুযায়ী, একটি মুরগির খামার স্থাপনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি ও প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হতে হবে। বসতিপূর্ণ এলাকা এবং জনগণের ক্ষতি হয় এমন স্থানে এসব খামার স্থাপন করা যাবে না।গ্রামের বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস বলেন, আমার বাড়ির পাশেই বিষ্ঠার খামার। বিষ্ঠা থেকে সব সময় দুর্গন্ধ ছড়ায়। আশপাশে বসবাস করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।কলেজ ছাত্র সাইদ আহমেদ বলেন, বসতিপূর্ণ এলাকা থেকে খামারটি সরানোর জন্য গত বছর ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দিয়েছিল গ্রামবাসী। তিনি ব্যবস্থা নেননি। এখন ইউএনও’র কাছে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এখন তারা কি পদক্ষেপ নিবে জানিনা।পথচারী সোহেল বলেন, বাবুল মিয়া আইনকে বৃদ্ধাআঙ্গুলি দেখিয়ে নির্বিঘ্নে পরিবেশের ক্ষতি করে খামারের ব্যবসা করছেন। তার খামারের নেই কোন নিবন্ধন এবং নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতিপত্রও। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত বাবুল মিয়া বলেন, আরে গুতাইয়া কি পাবেন, আর পাছার কাছেও আসতে পারতেননা। আমার কাছে আইতে হইলে তের ঘাট পার ওইয়া আইতে হইবো! আর বউ লালমাই ভূমি অফিসে চাকুরি। কারও হেডম নাই আর এডি সরাইতে।সদর দক্ষিণ প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. ফারহানা নাসরিন বলেন, আমি বিষয়টি জেনিছি। ভিজিট করে পদক্ষেপ নিচ্ছি। নীতিমালা উপেক্ষা করে খামার স্থাপন করা হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সদর দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন জানান, এসব বিষ্ঠা ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি রয়েছে এবং রোগ সৃস্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া খানম বলেন, জনগণের ক্ষতিকারক কাজ করলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করব।কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোসাব্বের হোসেন মোহাম্মদ রাজিব বলেন, আগেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিলো এবং এটা সরাইতে বলা হয়েছিলো। যেহেতু তারা এখনো সরায়নি, অবশ্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবো।
আপনার মতামত লিখুন :